নিউ গাইডলাইন

IBS.IBD.ODS রোগীদের প্রথম ৩মাসের গাইড লাইন(২য় সংস্কার) ডিসেম্বর ২০২৪ইং

✅✅যারা লাখ লাখ টাকা IBS,IBD আলসার রোগের পিছনে নষ্ট করছেন তাদের জন্য নিন্মের নিউ গাইডলাইনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মাত্র ৭-১৫দিনে রেজাল্ট পাবেন ইনশাআল্লাহ।

✅আমরা সেই বিষয়টি তুলে ধরার চেস্টা করেছি যেগুলো প্রাক্টি্ক্যাল রেজাল্ট পেয়েছি।তবে ক্ষেত্রভেদে কিছু কিছু বিষয় পরিবর্তন পরিবর্ধন হতে পারে।
আইবিএস অর্থাৎ যাদের পেটের বিভিন্ন সমস্যা রয়েছে।ডাক্তার বাবুর কাছে গেলে সকল পরীক্ষা করার পরও রোগ ধরা পড়ে না অথচ পেটের ভিতরে জটিল কিছু অনুভুত হচ্ছে তাকেই আমরা আইবিএস তথা(Irritable Bowel Syndrome)বিরক্তিকর পেটের সমস্যা বলছি।


✅✅IBS(Irritable Bowel Syndrome)বিরক্তিকর পেটের সমস্যার প্রথমিক লক্ষণঃ-

➡️রোগীর পাতলা পায়খানা বা কষা পায়খানা দেখা দিতে পারে।
➡️পেট ভুটভাট, পেট ফাঁপা, ফুলে যেতে পারে।
➡️পেটে প্রচুর পরিমানে গ্যাস হয়।
➡️খাবারের পর পেট মুচোড় দিয়ে বাতরুম যাওয়া লাগতে পারে।
➡️প্রচুর পরিমানে সাদা সাদা থকথলে আম যেতে পারে।
➡️কারো ফেনা ফেনা যায়।কারো খাবারের পর পেট ব্যথা করে।
➡️কারো কারো আবার খালি পেট হলেই পেটে চিনচিন,ঘিনঘিন অসহ্যকর ব্যথা করে।
➡️কারো ক্ষেত্রে রক্ত আমাশা বা বিজল দেখা যেতে পারে।
➡️কোন খাবার একদম হজম হতে চায় না এমনকি পানি,ক্যাপসুলের আবরণও অনেকের হজম হয় না।

✅✅বিঃদ্র ঃ-এই অবস্থায় অনেকে গ্যাস্টিকের🚫 নিয়মিত ঔষধ খেয়ে খেয়ে পাকস্থলীর হাইডোক্লোরিক এসিড নষ্ট করে দেয়। অপরদিকে মুড়িমুড়কির মত এন্টিবায়েটিক 🚫খেয়ে কোলনের গুড ব্যাকটেরিয়াও কমতে থাকে🚫একসময় কোন ঔষধে কাজ করে না।কারো ক্ষেত্রে আলসার দেখা দেয়।কারো কারো ক্যনসার দেখা দেয়।


✅✅আইবিএস রোগীদের মারাত্মক অবস্থা ঃ-
➡️অবিবাহিতরা বিয়ে করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে।
➡️বিবাহিতদের যৌন ক্ষমতা কমে যায়।
➡️মেজাজ অলটাইম খিটমিটে থাকে।
➡️কাজের প্রতি অনিহা ।
➡️কারো অধীনে চাকুরী করার মানসিকতা থাকে না।
➡️একটুতেই মেজাজ গরম হয়ে যাবার কারনে পরিবারে অশান্তি বিরাজ করে।
➡️সবকিছু পেয়েও যেন পৃথিবীতে নিজেকে অসহায় মনে হয়।
➡️অনেকে কর্ম হারায় বিদেশে থাকতে পারে না।
➡️দীর্ঘদিন এই রোগে ভুগলে নার্ভের সমস্যা হয়
➡️কোমরে ব্যথা অনুভত হয়।সাথে শরীরে বাথ্যা করে।
➡️কারো ক্ষেত্রে মাসে ২/৩বার পাতলা পায়খানা যেতে পারে।এটা দিনে ৮/১০বারও হতে পারে।


✅IBS.IBD.ODSআলসার,অর্শ,পাইলস এবং ফেস্টুলা রোগীদের জন্য ১ থেকে ১৮নং পর্যন্ত পরামর্শঃ-

✅১নিয়মিত সালাত আদায় ও কুরআন পড়বেন।
✅২.টেনশন মুক্ত থাকবেন।
✅৩.ফিল্টার বা ভালো ভাবে একবার পানি ফুটিয়ে ঠান্ডা করে পানি পান করবেন।
✅৪.শুকনা মরিচ বা গুড়ো মরিচ পরিহার করবেন।
✅৫.সবার কথা বাদ দিন, আপনি ভালো হবেন এটা মনে রাখবেন।
✅৬.খাবারের সময় পেটের তিনভাগের এক ভাগ খাবেন।
✅৭.খাবারের ৪০মিনিট আগে অথবা পরে পানি পান করুন।
✅৮.আমাদের দেখানো ব্যয়াম নিয়মিত করুন। সকালে খালিপেটে ৩০মিনেট বিকেল বা রাতে ৩০মিনিট সাধ্যমত জোরে জোরে হাটুন,দৌড়ান সাথে শ্বাসের ব্যায়াম করুন।
✅৯.খাবারের পর ২০মিনিট হালকাভাবে হাঁটুন।
✅১০.রাত্রে ঘুমানোর ৩/৪ঘন্টা আগেই খাবার শেষ করুন এবং খাবারের ১-২ঘন্টা পর বা ইশা সলাত আদায় করে ঘুমানোর আগে ৩০মিনিট ব্যায়াম অবশ্যই করুন।
✅১১.ঘুমানোর সময় সপ্তাহে ২-৩দিন এক টুকরা আদা। আর বাকী ২-৩দিন কাচা হলুদ এক টুকরা চুষে খেতে খেতে ঘুমিয়ে যাবেন।
✅১২.ঘুমানোর সময় অবশ্যই কেমিক্যালমুক্ত পেষ্ট দিয়ে ব্রাশ করে ঘুমাতে যাবেন এবং ঘুম থেকে উঠে কুলি না করে এক গ্লাস বিশুদ্ধ পানি পান করবেন(ফিল্টারিং)
✅১৩.ক্ষিদে লাগলে হাতের কাছে মুড়ি/লাল চিড়া রাখুন ২/১মুড়ি/চিড়া খান(এক ঘন্টা পর পানি পান করুন)।বাড়ির তৈরী হলে বেটার হয়।
✅১৪.সপ্তাহে১-২দিন সকালের নাস্তা(সকাল১১টায়)এবংদুপুরের খাবার (সন্ধ্যা ৬টায়) সমস্যা না হলে গ্রহন করতে পারেন,এতে ভালো ফল পাবেন ইন-শা-আল্লাহ।
✅১৫.যাদের সমর্থ আছে তারা সপ্তাহে সোমবার ও বৃহস্প্রতিবার এবং প্রতি আরবী মাসের ১৩,১৪,১৫তারিখে সিয়াম রাখতে পারেন।যেটা আল্লাহর রাসুল (সাঃ)নিয়মিত রাখতেন।
✅১৬.প্রিবায়োটিকস ও প্রবায়োটিকস সম্মৃদ্ধ খাবার প্রতিদিন যে নিয়মে বলেছি ভিডিওতে সেভাবে গ্রহন করবেন।
✅১৭.প্রতিদিন শরীরের চামড়ায় শীতকালে ৩০মিনিট আর গরমকালে১৫মিনিট রোদ লাগাবেন।সকাল১১টা থেকে দুপুর ৩টার মধ্যে। যারা জব করেন আপনারাও চেষ্টা করবেন সাধ্যমত।
✅১৮.আধালিটার পানিতে এক চা চামচ জিরা দিয়ে ভালো করে ফুটিয়ে পানিসহ জিরা বা শুধু পানিটুকু ছেকে সকালে খালিপেটে খাবেন(১মাস)


✅✅IBS D তথা ডায়রিয়া পাতলা পায়খানা জনিত সমস্যার জন্য পরামর্শ(১-১৮ নং) এর পাশাপাশি ফলো করুন)
✅১.প্রতিদিন (ওর স্যলাইন)১টি,আধালিটার বিশুদ্ধ পানিসহ অর্গানিক কোকোয়া পাওডার কুয়াটার চা চামচ পরিমান মিশিয়ে প্রতিদিন দুপুর ১২-৫টার মাঝে পান করুন১মাস
✅২.সকালের নাস্তাঃ- রাত্রে সাদা চাউলের ভাত (১০-১২ঘন্টা)বিশুদ্ধ পানিতে পরিস্কারন পাত্রে ভিজিয়ে রেখে সকালে পানিসহ বিটরুট ভাজি,পেপে কলা বিভিন্ন রকম সবজি,তরকারি যেগুলো সুট করে সেগুলো দিয়ে পান্তা ভাত পিয়াজসহ মজা করে খাবেন(৩মাস)
✅৩.দুপুরে খাবারঃ- প্রথমে যে তরকারি বা সবজিগুলো আপনার সহ্য হয় সেগুলো ভালোভাবে চিবিয়ে চিবিয়ে খাবেন।এরপর ১প্লেট গরম আলোচাউল বা সাদা চাউলের ভাত খান।
✅৪.রাত্রের খাবারঃ-প্রথমে যে তরকারি বা সবজিগুলো আপনার সহ্য হয় সেগুলো ভালোভাবে চিবিয়ে চিবিয়ে খান।এর পর মাগরিব পরেই ঘুমানোর ৩/৪ঘন্টা আগে সাদা চাউলের বা আলোচাউলের গরম ভাত খাবেন ১প্লেট।
✅৫.কচিডাব প্রতিদিন সম্ভব হলে ১টি না পারলে১দিন পর পর বা ২দিন পরপর একটি করে দিনের বেলা খাবেন(৩মাস)।
✅৬.একটেরিয়া ক্যাপসুল ৪বিলিয়ন সকাল-রাত খাবারের ২০মিনিট আগে ফ্রিজে রেখে খাবেন (১মাস বা প্রয়োজনমত)
✅৭.সাদা ভাতের মাড় হিমালয় পিং সল্ট মিশ্রিত করে সপ্তাহে ২-৩দিন গরম ভাতের সাথে খাবেন।
✅৮.কলা,ডুমুর,লাউ,চালকুমড়ো,খাল-বিল-নদী-সামুদ্রিক মাছ ,দেশি মুরগীর মাংস,দেশি মুরগীর ডিম খাবেন।


✅✅IBS C,ODS তথা কোষ্ঠকাঠিন্য,বাধাগ্রস্থ মল ত্যাগের জন্য পরামর্শ(১-১৮নং) এর পাশাপাশি ফলো করুন)

✅১.শাহী হালিম বীজ +ফ্লাকসিড বীজ+তুলসি বীজ +চিয়া বীজ +ইসবগুল বীজ+তকমাবীজ+ব্লাককুমিন বীজ সমপরিমাণ একত্রে করে ২চা চামচ এক গ্লাস পানিতে ৪০মিনিট ভিজিয়ে রেখে খাবেন খাবারের পর দিনে ১-৩বার(প্রয়োজনমত)
✅২.ত্রিফলা ১টি করে ভিজিয়ে রেখে সকালে খালিপেটে সপ্তাহে ২-৩দিন খাবেন।
✅৩.এলাচ,দারুচিনি,লবঙ্গ ২টি করে ১গ্লাস পানিতে সকালে ভিজিয়ে রেখে সপ্তাহে ২-৩দিন বিকেলে খাবেন।
✅৪.বেলের শরবত একগ্লাস করে ১দিন পর পর খাবেন
✅৫.পর্যাপ্ত পরিমান ২টাইম সালাত খাবেন।
✅৬.পাকা পেঁপে ও কাচা পেঁপের তরকারি অন্যান্য সবজির সাথে রাখবেন এবং খাল-বিল-নদী-সামুদ্রিক মাছ ,দেশি মুরগীর মাংস,দেশি মুরগীর ডিম খাবেন।
✅৭.চালকুমড়ো যার উপরে সাদা লিয়ার পড়ে যার ওজন ২কেজির উপরে এরুপ ১০০-১৫০গ্রাম উপরের লিয়ার ফেলে কুচিকুচি করে কেটে ব্লিন্ডার করে শুধু পানিটুকু ছেকে সকালে খালিপেটে ৭-১০দিন বা প্রয়োজনমত খাবেন।বাকীটুকু ফ্রীজে নরমালে রেখে পরের দিনগুলোতে পান করতে পারবেন।
✅৮.সকালের নাস্তাঃ- রাত্রে সাদা চাউলের ভাত (১০-১২ঘন্টা)বিশুদ্ধ পানিতে পরিস্কারন পাত্রে ভিজিয়ে রেখে সকালে পানিসহ বিটরুট ভাজি,পেপে কলা বিভিন্ন রকম সবজি,তরকারি যেগুলো সুট করে সেগুলো দিয়ে পান্তা ভাত পিয়াজসহ মজা করে খাবেন(৩মাস)
✅৯.দুপুরের খাবারঃ- প্রথমে যে তরকারি বা সবজিগুলো আপনার সহ্য হয় সেগুলো ভালোভাবে চিবিয়ে চিবিয়ে খাবেন।এরপর ১প্লেট গরম লালচাউল বা সাদা চাউলের ভাত খান।
✅১০.রাত্রের খাবারঃ-প্রথমে যে তরকারি বা সবজিগুলো আপনার সহ্য হয় সেগুলো ভালোভাবে চিবিয়ে চিবিয়ে খান।এর পর মাগরিব পরেই ঘুমানোর ৩/৪ঘন্টা আগে সাদা চাউলের বা লাল চাউলের গরম ভাত খাবেন ১প্লেট।


✅✅IBS M কখনো কষা কখনো পাতলা IBS এর গাইডলাইন।(১-১৮ নং এর পাশাপাশি ফলো করুন)

✅যাদের পায়খানার ঠিক থাকে না,এই কষা এই পাতলা,অবশ্যই আপনাকে একটু বাড়তি সতর্ক থাকবেন।কারন আপনি নিজে বুঝতে পারবেন কখন কিরূপ পেটের অবস্থা হতে পারে।সেভাবে আপনি নিজেকে মানিয়ে নিবেন।অর্থাৎ আইবিএস সি এর সময় আইবিএস সি এর গাইডলাইন, ডি এর সময় ডি এর গাইডলাইন মেনে চলবেন।সমস্যা হবে না ইনশাআল্লাহ।


✅✅IBD.গ্যাস্টিক আলসার,H.Pylori পজিটিভ হলে করনীয় (১-১৮নং) এর পাশাপাশি ফলো করুন)
আপনার এ ধরনের সমস্যা আছে কিনা,ঘরোয়া একটা টেষ্ট করে বের করতে পারবেন।লেবুর রস ও আপেল সিডার ভিনেগার ইউথ মাদার দুটো হতে বড় চামচের এক বড় চামচ করে একসাথে মিশ্রিত করে বাসিপেটে খাবেন।যদিন পেট জ্বালা,ব্যাধা,খারাপ লাগা শুরু হয় তাহলে বুঝবেন,আপনার পেটে আলসার,খত,H.Pylori খারাপ ব্যাকটেরিয়া বেশি আছে।

✅১.অর্গানিক টুরমারিক ইমিউন বুস্টার আধা চা চামচ,কালোজিরা আধা চা চামচ,রসুন ২কুয়া একত্রে ভর্তা করে খাঁটি শরিষা বা অলিভওয়েল তেল দিয়ে খাবেন।
✅২.সকল ধরনের সুগারিফুড(অতিরিক্ত ভাত,রুটি,মিষ্টি ফল,মুখে মিষ্টি লাগে এমন জিনিস কম খাবেন)
✅৩.আলসারের পাশাপাশি যদি আপনার পায়খানা পাতলা নরম ডায়রিয়া আমাশা যায় তাহলে আইবিএস ডি এর গাইডলাইন এবং কোষ্ঠকাঠিন্য হলে আইবিএস সি এর গাইডলাইন মেনে চলবেন।আর কখনো কষা কখনো পাতলা হলে আইবিএস এম এর গাইডলাইন মেনে চলবেন।
✅৪.নিয়মগুলোর পাশাপাশি ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ন্যাচারাল মেডিসিন গ্রহণ করবেন।
✅৫.সকল প্রকার চিনি বা চিনি জাতীয় খাবার পরিহার করবেন।
✅৬.খালিপায়ে মাটি বা ঘাসের উপর ৩০মিনিট অন্তত হাটবেন।
✅৭.মানসিক চাপ কমাবেন রিলাক্য থাকবেন
✅৮.ওমেগা৬খাবার বাদ দিয়ে ওমেগা৩ যুক্ত খাবার খাবেন।
✅৯.যষ্টিমধু ১চামচ করে সকাল -রাত পানির সাথে পান করবেন(প্রয়োজনমত)
✅১০.পাতা কপি জুস ১কাপ করে সকাল-রাত খালিপেটে খাবেন১৫-২২দিন।

 ❌যে খাবার গুলো খাবেন নাঃ-❌

✅১. গ্লুটেন্ট(গম,ভুট্টা বা এই থেকে তৈরী যেমন বিস্কুট,চানাচুর,পাউরুটি,সকল ধরণের অত্যধুনিক প্রসেসফুড বর্জন করুন ইত্যাদি)
✅২.ক্যাসিন তথা দুধ। তবে বকরীর দুধ ক্ষেতে পারবেন,তবে যে গাভী সবুজ ঘাস খেয়ে জীবনধারণ করে তার দুধ খেতে পারেন,তবে দুধ খাবার পর অন্য খাবার সেই বেলা খাবেন না।
✅৩.ভাজাপোড়া খাবার পরিহার করবেন।
✅৪.মশুর ডাল, নারিকেল ,আংগুর,বাদাম ইত্যাদি।
✅৫. গরু বা ছাগলের মাংস (তবে ৩মাস পর আস্তে আস্তে খেতে পারবেন ইনশাআল্লাহ)।
✅৬.শুকনা বা গুড়া মরিচের ভাজী বা ঝোল তরকারি
✅৭.ভারী খাবার পরিহার করুন (পরে এগুলো আস্তে আস্তে হজম ক্যপাসিটি ভালো হবার পর ক্ষেতে পারবেন)
✅৮.সুয়াবিন তেলসহ অন্যান্য সকল প্রকার কেমিক্যাল মিশ্রিত তেল দিয়ে রান্না করা সকল কিছু পরিহার করুন।(বাচতে হলে মানতে হবে)
✅৯.সকল প্রকার নেশাদার দ্রব্য,বিড়ি,সিকারেট,মদ-খাজা,আফিং ইত্যদি বর্জন করুন।
✅১০যৌন উত্তেজনামুলক অনটাইম সকল প্রকার মেডিসিন পরিহার করুন।কারণ আমরা লক্ষ্য করেছি অনটাইম মেডিসিন খেলেই আইবিএস রোগীর আমাশা বহুগুন বেড়ে যায়।অস্থিরত লাগে।সেক্ষেত্রে (MRibsLifestyle) যে পরামর্শ দিচ্ছে সেটি আস্থার সাথে গ্রহন করুন। আপনি ন্যচারালি ফ্যমিলিকে সুখ দিতে পারবেন(প্রমানিত) ইনশাআল্লাহ।

✅✅আইবিএস রোগীর ইফতারঃ-
খেজুর বা বিশুদ্ধ পানি দিয়ে ইফতার শুরু করুন। বা কচি ডাবের পানি অথবা ইসুবগুল ২চামচ ও তোকমা ২চামচ ২০মিনিট আগে ভিজিয়ে রেখে সেটা দিয়ে মাহে রমজানে ইফতার করবেন।তারপর কলা,১/২পিচ খেজুর,মাল্টা,কমলা,পাকা পেপে,আনারস,তরমুজ এগুলো থেকে মাঝে যেগুলো সুট করবে সেগুলো খেয়ে সলাত আদায় করে সকালে রাখা পান্তাভাত বিটরুট ভাজি,সামুদ্রিক মাছ,পেপে কলা বিভিন্ন রকম সবজি তরকারি যেগুলো সুট করে সেগুলো দিয়ে পান্তা ভাত মজা করে খাবেন।

✅✅আইবিএস রোগীর শেহরীঃ-
গরম ভাত এক প্লেট ২টো দেশী মুরগীর ডিম সাথে সয়াবিন২/৩পিচ দেশী ছোট মুরগীর মাংস দিয়ে রান্না।তরকারি সবজি সহ্যমত।খাবার পর টক দই ১/২চামচ খাবেন।

✅প্রতিটা আইবিএস রোগীর এলার্জি সমস্যা থাকে সেক্ষেত্রে যে খাবারটি খেলে অসস্থিবোধ হয় সেটি বাদ দিবেন।

✅লেখক ও গবেষনায়ঃ-
Dr.Motiur Rahaman(Health Consultant; Organic Health Foundation)
MA,DHMS,DUMS(In Course)
Expert (IBS,IBD,ODS,Pails, Analfiser,Fastula)
WhatsApp(+8801749909662)

One Response

  1. আলহামদুলিল্লাহ অনেক সুন্দর একটা গাইডলাইন আইবিএস লক্ষণে কার্যকর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *